Hope is a good thing.
May be the best of things.
And no good thing ever dies.

 

টিম রবিন্স এবং মরগ্যান ফ্রিম্যান অভিনিত ‘দ্য শশ্যাঙ্ক রিডেম্পশন’ একটি অনবদ্য আমেরিকান ড্রামা-ফিল্ম। প্রথম রিলিজ হয় ১০ সেপ্টেম্বর ১৯৯৪ সালে। ১৪২মিনিটের এই ছবিটি পরিচালনা করেছেন ফ্রাংক ডারাবন্ট।

 

গল্পের নায়ক অ্যান্ড্রু ডুফ্রেইন(টিম রবিন্স) একজন ব্যাংকার যে তার স্ত্রী ও তার প্রেমিককে খুনের দায়ে ১৯বছর ‘শশ্যাংক স্টেট প্রিজন’ এ কারাদন্ড ভোগ করে। ডুফ্রেইন ২০ তম বছরে প্রিজন সেলের পাথরের দেয়াল কেটে, প্রায় ৫ ফুটবল মাঠের দৈর্ঘ্যের সমান পয়ঃনিষ্কাশন পাইপ হামাগুড়ি দিয়ে অতিক্রম করে জেল থেকে পালিয়ে মুক্তি লাভ করে।

 

কারাগারে থাকাকালীন ডুফ্রেইন এর বন্ধুত্ব হয় আরেক যাবজ্জীবন কারাদণ্ডভোগী রেড(মরগ্যান ফ্রিম্যান) এর সাথে। রেডের কাছ থেকেই ডুফ্রেইন একটি ছোট্ট ‘রক-হ্যামার’ আর অভিনেত্রী ‘রিতা হেওয়ার্থ’ এর একটি পোস্টার চেয়ে নেয়। পোস্টারটি তার প্রিজন-সেলের দেয়ালে টাঙিয়ে রাখে। আর এর পেছনেই চলতে থাকে পাথরের দেয়াল কেটে পালিয়ে যাওয়ার রাস্তা প্রস্তুত করার কাজ। এর মধ্যেই কেটে যায় ২০টি বছর। নানা ঘটনা আর দূর্ঘটনার মধ্য দিয়ে কেটে যায় সময়।

 

কখনো আমরা তাকে দেখি কারাগারের লাইব্রেরী সম্প্রসারণের কাজে অর্থ বরাদ্দের জন্য সরকারের কাছে একের পর এক চিঠি দিয়ে যাচ্ছে। কখনোবা আবার বিনা অপরাধে জেল-ওয়ার্ডেনের ক্রোধের শিকার হয়ে দিনের পর দিন তার নির্জন কারাবাস। অথবা কখনো জেল-ওয়ার্ডেন-এর ‘মানি লন্ডারিং-ডিপোজিট’ দেখাশোনার কাজ নিয়ে ব্যস্ত ডুফ্রেইন। একদিন টমি নামে নতুন এক কয়েদি আসে জেলখানায়। তার মাধ্যমেই একসময় জানা যায় ডুফ্রেইনের স্ত্রী ও তার প্রেমিকের আসল খুনির পরিচয়।

 

যাহোক, এভাবেই ঘটনার ঘনঘটা দিয়ে সাজানো ছবিটির কাহিনি। বিনা অপরাধে দীর্ঘজীবন কারাবাস। অতঃপর কারাগারের নিঃসঙ্গতা আর একঘেয়ে জীবনের মাঝে থেকেও মুক্তির আশা হৃদয়ে পুষে রাখা এবং তা বাস্তবায়িত করার এক শ্বাসরুদ্ধকর কাহিনী ‘দ্য শশ্যাংক রিডেম্পশন’।

 

২৫ মিলিয়ন ডলার বাজেটে তৈরি এই ‘মাস্ট ওয়াচ’  ছবিটির রেটিং ১০ এ ৯.৩

 

১৯৯৪ সালে ‘একাডেমি এওয়ার্ড’ এবং দুই বার ‘গোল্ডেন গ্লোব’ এওয়ার্ডের জন্য মনোনয়ন পায় ছবিটি।

 

The Shawshank Redemption

Leave a Reply